
শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক ও সাংবাদিক শিমুল হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুনীর হোসেন বলেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়। এরপর শনিবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ নিয়ে শিমুল হত্যা মামলায় ১৩ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও ৬ জন পলাতক। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরো ২৫-২৬ জন আসামি রয়েছে।
এদিকে ঘটনার দিন পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুর ভাইয়ের হাত থাকা অস্ত্র শটগানসহ একাধিক অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা হয়নি। মামলার বাদী শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহান খাতুন।
প্রসঙ্গত, ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় পৌর মেয়র মিরুর শটগানের গুলিতে দৈনিক সমকালের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রতিনিধি শিমুল আহত হন। শাহজাদপুরের দিলরুবা বাস টার্মিনাল থেকে উপজেলা সদর পর্যন্ত রাস্তার কাজ নিয়ে পৌর মেয়র মিরুর ছোট ভাই হাসিবুল ইসলাম পিন্টুর সঙ্গে পৌর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ভিপি রহিমের শ্যালক ছাত্রনেতা বিজয়ের বিরোধ ছিল। এর জের ধরেই বিজয়কে বেধড়ক মারধর করেন পিন্টু। এতে তার হাত-পা ভেঙে যায়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দলের কর্মী-সমর্থক ও বিজয়ের মহল্লা কান্দাপাড়ার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে দিলরুবা বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে। এক পর্যায়ে অবরোধকারীদের একটি অংশ মনিরামপুর এলাকায় অবস্থিত পৌর মেয়রের বাড়ি ঘিরে ইট-পাটকেল মারতে থাকে। ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহের সময় মেয়রের ছোড়া গুলিতে আহত হন সাংবাদিক শিমুল। আহত অবস্থায় তাকে বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান তিনি।