
বসন্ত মানে প্রেম, প্রকৃতির কাব্য। বসন্ত মানে আজি বাতাসে বহিছে প্রেম, হৃদয়ে নেশা। সেই নেশা বাতাসে প্রাণচঞ্চলতার। ফাগুনের প্রথম দিনে রাজধানীর রাজপথে রাজ করছে বাসন্তী রঙের শাড়ি। সঙ্গে গাঢ় রঙের আধিক্যও আছে বছর কয়েক ধরে। বাসন্তী, লাল, হলুদ আর সবুজে রঙিন হয়ে উঠবে রাজধানীর রাজপথ, পার্ক, একুশের গ্রন্থমেলা সহ খোলা ময়দান। অসাম্প্রদায়িক উৎসবের রং বুঝি এমনই কড়া। দিনটি উপলক্ষে জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ বরাবরের মতো এবারও বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছে। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলার পাশাপাশি রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজন করা হয়েছে ফাগুন উৎসবের।
এ ছাড়া ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবর মঞ্চ, লক্ষ্মীবাজারের বাহাদুর শাহ পার্ক এবং উত্তরার ৩নম্বর সেক্টরের রবীন্দ্রসরণীর উন্মুক্ত মঞ্চে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গানের দল সমগীত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বাঙালির জীবনে রঙ লেগে থাকুক সামনের দিনগুলোতে। ফুলের এই তাজা রঙে ভরে উঠুক আগামী। এই তীব্র উপস্থিতি নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শনেও বসন্ত ঠাঁই করে নিয়েছে স্বমহিমায়। আহা আজি এ বসন্তে কত ফুল ফোটে, কত পাখি ডাকে বলে প্রকৃতির শোভা তুলে ধরেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই গানকে অনেকটাই পিছে ফেলে এখনকার বসন্ত শুরু হয়, আকাশে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা কারা যে ডাকিল পিছে, বসন্ত এসে গেছে কিংবা বসন্ত বাতাসে সই গো, বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ আমার বাড়ি আসে, সই গো বসন্ত বাতাসে গানের সুরে।