
জানা গেছে, গতকাল সোমবার ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন তার মাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর এক্স-রে করাতে নিয়ে গেলে সেখানে করার কর্মচারীদের সঙ্গে জাহাঙ্গীরের কথা-কাটাকাটি হয়। এরই জেরে শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। পরে ঘটনার বিচার দাবি করে আজ মঙ্গলবার সকালে কর্মবিরতি করে বিক্ষোভে নামেন কর্মচারীরা। এ সময় শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৫ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে পুলিশ রয়েছে।
হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষের টেকনিয়াশান মো. শাহীন জানান, ফ্রি এক্স-রে করার জন্য কাগজে চিকিৎসকের স্বাক্ষর না থাকায় তিনি এক্স-রে করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে ছাত্রলীগের কতিপয় কর্মীর সঙ্গে ছাত্ররা জোটবেঁধে এক্স-রে কক্ষে গিয়ে ভাংচুর করেন। এ সময় সেখানে আমি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করি। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও আউটসোর্সিং কর্মচারীদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে আমাকে মারধর করেন শিক্ষর্থীরা।
কয়েকজন ছাত্র অভিযোগ করেন, আউটসোর্সিং কর্মচারীদের দুর্ব্যবহারে তারা অতিষ্ঠ। ক্ষিপ্ত ছাত্ররা তাদের নানা অনিয়মের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে।
হাসপাতালের পরিচালক হাবিবুর রহমান জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সন্ধ্যার মধ্যে ছাত্রদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।